আবাহনীর সানডেময় সন্ধ্যা

×

ত্রুটি সম্পর্কিত বার্তা

  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Deprecated function: _menu_load_objects() এর The each() function is deprecated. This message will be suppressed on further calls (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/menu.inc ফাইল এর 579 নং লাইন)।
  • Deprecated function: drupal_get_feeds() এর implode(): Passing glue string after array is deprecated. Swap the parameters (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 394 নং লাইন)।
Share with Others: 

বক্সে ঢুকে আড়াআড়ি শটে বলটা জালে জড়িয়েই ছুটলেন ডাগ-আউটের দিকে। আলিঙ্গনে বাঁধলেন জর্জ কোটানকে। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার কিছু কি বলছিলেন তাঁর কোচকে? হয়তো বলছিলেন, ‘কোচ, দেখলে তো তোমার আশা পূরণ করলাম?’
উদ্বিগ্ন কোটান তখন একটা গোলের জন্য চাতক-তৃষ্ণায় তাকিয়ে তাঁর খেলোয়াড়দের দিকে। সেই মহামূল্যবান গোলটা এনে দিয়ে আবাহনীকে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে নিয়ে গেলেন সানডে সিজোবা। ২০১০ সালের পর এটিই আবাহনীর প্রথম ফেডারেশন কাপ ফাইনাল। শেষবার ফাইনালে ইব্রাহিমের হ্যাটট্রিকে শেখ জামালকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছিল আবাহনী।
ইব্রাহিম হতে পারবেন সানডে? সময়ই বলবে। তবে কাল দারুণ খেললেন এই ফরোয়ার্ড, ৬৯ মিনিটে সানডের অসাধারণ গোলটা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আসা দর্শকদের চোখে মায়াঞ্জন বুলিয়ে দিল। দু-একজন তো বলছিলেন, এটা সানডের জাদু। ১-১ স্কোরলাইনটা ২-১ করে সানডেই আবাহনীর জয়ের নায়ক। গোল করেছেন, প্রথম গোলটা করিয়েছেন। সানডেময় আরেকটি সন্ধ্যাই কাটাল আবাহনী।
ঠিক এক বছর আগে লিগে আবাহনী ৫-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এই শেখ রাসেলকে। সানডে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। কাল হ্যাটট্রিক না পেলেও দলকে শেখ রাসেলের বিপক্ষে এনে দিলেন টানা দ্বিতীয় জয়। স্বাধীনতা কাপে ১-০ জয়ে গোলটা এসেছিল জুয়েল রানার পা থেকে। কাল জুয়েল তেমন কিছু করতে পারেননি। তবে সানডের সঙ্গে কামারার যুগলবন্দী চোখ কাড়ল আলাদাভাবে।
নামের ভারে ভারী হলেও শেখ রাসেল ভালো করতে পারছে না। মৌসুমের প্রথম ট্রফি স্বাধীনতা কাপের গ্রুপ থেকেই বিদায়। ফেডারেশন কাপের সেমিতেই দৌড় শেষ। তারকা স্ট্রাইকার ফিকরু তেরেফা স্বাধীনতা কাপের ছয় ম্যাচে ৪ গোল করলেও ফেডারেশন কাপে গোলহীন। পুরো ফিটনেস না থাকায় কাল তো তাঁকে দ্বিতীয়ার্ধে তুলেই নিতে হলো। উইং প্লে বলতে গেলে নেই-ই শেখ রাসেলের। খেলাটা তৈরি করার একজন নেতার অভাব। রক্ষণও ভঙ্গুর।
সেই সুযোগ নিয়ে শুরু থেকেই আবাহনীকে দেখাচ্ছিল চনমনে। বোঝাই যায়নি আক্রমণের বড় ভরসা লি টাক চোটের কারণে এই ম্যাচে নেই। মাঝমাঠে ইমন বাবু আক্রমণে বল জোগাচ্ছিলেন। বাঁ দিকে সানডে, ডানে জুয়েল রানা। মাঝখানে কামারাকে রেখে আকাশি-নীলরা আক্রমণে উঠে বারবারই। সানডেকে আটকাতে হিমশিম অবস্থা রাসেলের রাইটব্যাক অরূপ বৈদ্যর।
আবাহনীর সাফল্য আসে পঞ্চম মিনিটে। ওয়ালির ক্রস সানডে বুক দিয়ে রিসিভ করে আলতো টোকায় তুলে দেন। সেনেগালিজ স্ট্রাইকার কামারার আলতো হেডে বল জালে। দুই মিনিট পরই সানডের শট যায় বাইরে। প্রথম ১৫ মিনিটেই গোটা পাঁচেক শট হয়ে গেছে রাসেলের পোস্টে। তখনই অনুমান করা যাচ্ছিল, আবাহনী তৈরি হয়েই নেমেছে।
তবু ম্যাচে ফিরে জয়ের আশা দেখছিল শেখ রাসেল। গোলটাও শোধ করে ৬৫ মিনিটে। পল বক্সে ঢুকে আলতো ঠেলে দেন রুম্মান সরকারকে, কোনাকুনি টোকায় বল জালে পাঠান তরুণ স্ট্রাইকার। গত ম্যাচে সহজ সুযোগ হারিয়ে ম্যাচের পর নিজেকে দোষারোপ করছিলেন, সেই আক্ষেপ কাল দূর করলেন দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে। কিন্তু জিততে মরিয়া আবাহনী, নির্দিষ্ট করে বললে সানডে জ্বলে উঠতে সময় নিলেন না।
আবাহনীর জন্য সময়টা ভালোই কাটছে। মৌসুমের প্রথম দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠা তো করতালি দাবি করছে। স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে অবশ্য আবাহনী হেরেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে। এবার ২৭ জুন ফেডারেশন কাপের ফাইনালে সামনে আরামবাগ, যে দলটিকে ১৯৯৭ সালে হারিয়েই ফেডারেশন কাপ জিতেছিল আকাশি নীলরা। দুই দিন পর সেটির পুনর্মঞ্চায়নই চাইবে জর্জ কোটানের আবাহনী।