বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে বলে মনে করেন না

×

ত্রুটি সম্পর্কিত বার্তা

  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Notice: element_children() এর Trying to access array offset on value of type int (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 6542 নং লাইন)।
  • Deprecated function: _menu_load_objects() এর The each() function is deprecated. This message will be suppressed on further calls (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/menu.inc ফাইল এর 579 নং লাইন)।
  • Deprecated function: drupal_get_feeds() এর implode(): Passing glue string after array is deprecated. Swap the parameters (/home1/atiqul/public_html/onlinenews/includes/common.inc ফাইল এর 394 নং লাইন)।
Share with Others: 

বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে বলে মনে করেন না ভারতের লোকসভার সদস্য ও দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির ছেলে অভিজিৎ মুখার্জি। তিনি বলেন, যে হামলা হচ্ছে, সেগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপরও হচ্ছে। একটি গোষ্ঠী তাদের উদ্দেশ্য বা মতের জন্য করছে। ধর্মের ভিত্তিতে সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। এটি উপেক্ষা করা উচিত।
আজ রোববার বিকেলে নিউ ইস্কাটনে সংগঠনের নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আলাপকালে অভিজিৎ মুখার্জি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশে আইএস সম্পর্কে পশ্চিমাদের ধারণা সম্পর্কে লোকসভার এই সদস্য বলেন, যে হত্যাগুলো হচ্ছে, তা খুবই খারাপ। কিন্তু কিছু না জেনে কারও ওপরে দোষ চাপানো উচিত নয়। সঠিক ঘটনা খুঁজতে হবে। ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। আগে নিতে পারলে আরও ভালো। তবে যুক্তরাষ্ট্রেও অনেক ঘটনা ঘটছে। তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা, অর্থ বাংলাদেশ বা ভারতের চেয়ে বেশি। সেখানেও হামলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতে মানুষের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ আছে। গোপনীয়তা বজায় রাখার অধিকার আছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও সাম্প্রতিক হত্যাগুলো নিয়ে খুবই চিন্তিত। তবে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

এর আগে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার এই সদস্য বলেন, বাংলাদেশে এটি তাঁর ব্যক্তিগত সফর। এখানে আসার আগে তিনি নিজ দেশের রাষ্ট্রপতি, লোকসভার স্পিকার ও কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা সবাই সরকার ও এ দেশের মানুষকে একটি কথা জানাতে বলেছেন। তা হলো ভারত বাংলাদেশের পাশে আছে। বাংলাদেশের যেকোনো সমস্যা যেন সঙ্গে সঙ্গে ভারতকে জানানো হয়। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের পাশে বন্ধুর মতো থাকতে চায়, বড় ভাইয়ের মতো নয়।
বাংলাদেশে ঘটা সাম্প্রতিক বিভিন্ন হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে ভারতের এই আইনপ্রণেতা বলেন, আগুন দেওয়া হবে, হুমকি দেওয়া হবে। এর মানে এই নয় যে সবকিছু শেষ হয়ে গেল। সরকার চেষ্টা করবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে। একবারে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সেটা খুবই ভালো। বাংলাদেশের উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়ন হলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশে এ ধরনে ঘটনা ঘটে। এক-দুজন মারা যান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে ৫০ জন মারা যান।
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা পাওয়ার নানা জটিলতার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। ইতিমধ্যে কিছু কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে কিংবা ভারত থেকে বাংলাদেশে বেশি বেশি মানুষের যাতায়াত করা প্রয়োজন। যত আদান-প্রদান হবে, তত ভুল ধারণাগুলো দূর হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রগুলো এক থাকতে পারলে অনেক ভালো কিছু করা সম্ভব।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি এ কে আজাদ চৌধুরী। বক্তব্য দেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান, মৈত্রী সমিতির উপদেষ্টা আইনজীবী আমীর-উল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুশারী, রাজনীতিবিদ মোজাফফর হোসেন পল্টু প্রমুখ।